আগামী রোববার থেকে সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। একই সঙ্গে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া শুক্রবার থেকে সন্ধ্যা ৬টার পর সব মার্কেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ব্যয় সাশ্রয় এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
তিনি বলেন, ব্যাংক লেনদেন বিকেল ৩টা পর্যন্ত চালু থাকবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে রোববার বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হবে। এই সময়ে সরকারি নতুন যানবাহন, জলযান বা আকাশযান কেনা বন্ধ থাকবে। কম্পিউটারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয়ও স্থগিত থাকবে। সরকারি অর্থায়নে সব বিদেশ প্রশিক্ষণ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ করা হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে।
এ ছাড়া সভা-সেমিনারের ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে ব্যয় ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ ব্যয়ও ৩০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশের ৮০ শতাংশ তেল আমদানিনির্ভর হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারের প্রভাব সরাসরি পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও কাজাখস্তান থেকে বিকল্প উৎসে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এর আগে রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়ে রাত সাড়ে ১১টায় শেষ হয়।











