পাবনার ঈশ্বরদীতে উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সদস্য সচিব ও ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগকে গুলি ও কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাড়া গোপালপুর স্কুলের সামনে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত সোহাগ পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মোহন নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের নেতা ও জিয়া সাইবার ফোর্সের সদস্য সচিব ছিলেন। পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, রাতে বন্ধুদের সঙ্গে রেললাইনের পাশে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন সোহাগ। একসময় তিনি দোকানের পাশেই শৌচকার্য সারতে গেলে হঠাৎ হেলমেট ও মাস্ক পরিহিত একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। প্রথমে তাকে পেট ও মাথায় লক্ষ্য করে গুলি করা হয়, এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ সময় সোহাগের সঙ্গে থাকা আরেকজনকে মারধর করা হয়, পরে তিনি আহত অবস্থায় পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। তিনি বলেন, নিহতের মাথার একটি অংশ কুপিয়ে ছিন্ন করা হয়েছে, যা থেকে ধারণা করা যাচ্ছে তাকে গুলি করার পর কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাবনা থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ডিবি পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে তদন্তে নেমেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।











