খুলনার কয়রায় মুজাফফর (৪৪) নামের এক মৎস ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নম্বর সিআর -২৬। অভিযোগটি আমলে নিয়ে কয়রা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতের বিচারক সঞ্জয় পাল আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে,গত (১০ আগস্ট) সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলা সদরের ২নম্বর কয়রা গ্রামের রশিদ মোল্লার মোড়ে বাদীর মাছ-কাঁকড়া ব্যাবসায়িক (ডিপো) প্রতিষ্ঠান রয়েছে । সেখানে উপস্থিত হয়ে বাদীর কাছে অভিযুক্ত মামলার ১নং আসামী ২নং কয়রা গ্রামের সোলাইমান শেখের ছেলে মনিরুজ্জামান ওরফে মনি (গুন্ডা ৪৫) ও ২ নং আসামী হরিণখোলা গ্রামের মোঃ আনছার শেখের ছেলে আলাউদ্দীন শেখ দীঘদিন ধরে মৎস ব্যাবসায়ি মুজাফফর হোসেনের কাছে ৩লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। এবং তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদী মাছ -কাঁকড়া ব্যাবসায় মুজাফফর হোসেন জানান, মনি ও আলাউদ্দীন এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও দস্যু শ্রেনীর লোক তারা আমার কাছে ৩লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আমাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছে। আমি তাদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা আরও বেপোরোয়া হয়ে ওঠে। তারা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে ১০/১৫ জন নিয়ে আমার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে জিম্মি করে (মাছ -কাঁকড়া) বিক্রির আনুমানিক ৪ লক্ষ ৩০হাজার টাকা ও একটি এনড্রযেড মোবাইল ফোন দোকানের ক্যাশ বক্স থেকে নিয়ে চলে যায়। এসময় এলাকার অনেকের সামনে এই ঘটনা ঘটলেও তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি।
আরও বলেন, চাঁদা দাবির ঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের ব্যাবহারিত মোবাইল ফোনে বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সংযোগটি বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দীক বলেন , আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলাটি পুলিশের খুলনা সিআইডি শাখাকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেন











