প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথমবার রাষ্ট্রীয় গাড়ি ও জাতীয় পতাকা ব্যবহার করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সরকারি প্রটোকল অনুযায়ী পতাকাবাহী গাড়িতে চড়ে তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছান। তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ভোরে গুলশানের বাসা থেকে তিনি নির্ধারিত সরকারি গাড়িতে যাত্রা করেন, যেখানে জাতীয় পতাকা ও প্রধানমন্ত্রীর পতাকা ব্যবহৃত হয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি ব্যক্তিগত সাদা গাড়িই ব্যবহার করছিলেন, যাতে কোনো পতাকা থাকত না।
স্মৃতিসৌধে ৫টা ৫৩ মিনিটে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। পরে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন তিনি। এরপর গুলশানের বাসায় ফিরে যান।
‘বাংলাদেশ ফ্ল্যাগ রুলস, ১৯৭২’ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের সাংবিধানিক অধিকার রাখেন, যদিও বিশেষ পরিস্থিতি বা নিরাপত্তাজনিত কারণে তা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীরা ঢাকায় পতাকা ব্যবহার না করলেও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এ সুবিধা প্রযোজ্য থাকে।
এবার জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ভিভিআইপি ও ভিআইপিদের জন্য সীমিত প্রটোকল বজায় রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, সাধারণত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তাদের পরিবহনে প্রায় সাড়ে চার হাজার লিটার জ্বালানি লাগে। তাই এবার মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাসে করে স্মৃতিসৌধে এসেছেন।











