সুরঞ্জিত সেন হত্যা চেষ্টা মামলা; খালাস ফেলেন রাজনীতিবিদরা, অরাজনৈতিক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলার রায় দীর্ঘ ২২ বছর পর ঘোষণা করা হয়েছে। মামলার আলোচিত আসামি সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী (বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।

মামলায় জগন্নাথপুরের সৈয়দপুর গ্রামের বাসিন্দা হাফেজ নাঈম আহমদ আরিফ ওরফে নিমুকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মামলার রায়ে নাঈম আহমদ আরিফ নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। মামলায় ১২৩ সাক্ষীর মধ্যে ৬৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নাঈমের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ বলেন, আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব।

এদিকে রায়ের পর আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর ও জিকে গউছ আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের কাছে শুকরিয়া প্রকাশ করে বলেন, আমাদের ওপর অনেক জুলুম-অত্যাচার করা হয়েছে। দীর্ঘ অনেক বছর পর ন্যায়বিচার হয়েছে।

 

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক হয়রানির জন্য গত ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের এ মামলায় আসামি করে। মামলার এজাহারে আমাদের নাম ছিল না। পরে সম্পূরক চার্জশিটে নাম ঢোকানো হয়। রায়ে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী না দেওয়ায় আমাকে একের পর এক মামলায় ফাঁসানো হয়।

 

হুইপ জিকে গউছ বলেন, এ মামলায় আমাকে দেশের বিভিন্ন কারাগারে দীর্ঘদিন বন্দি থাকতে হয়। আজ (বৃহস্পতিবার) রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মামলার রায়ে নাঈম আহমদ আরিফ নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। মামলায় ১২৩ সাক্ষীর মধ্যে ৬৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নাঈমের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ বলেন, আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। সে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব।

এদিকে রায়ের পর আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর ও জিকে গউছ আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের কাছে শুকরিয়া প্রকাশ করে বলেন, আমাদের ওপর অনেক জুলুম-অত্যাচার করা হয়েছে। দীর্ঘ অনেক বছর পর ন্যায়বিচার হয়েছে।

 

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক হয়রানির জন্য গত ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের এ মামলায় আসামি করে। মামলার এজাহারে আমাদের নাম ছিল না। পরে সম্পূরক চার্জশিটে নাম ঢোকানো হয়। রায়ে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী না দেওয়ায় আমাকে একের পর এক মামলায় ফাঁসানো হয়।

 

হুইপ জিকে গউছ বলেন, এ মামলায় আমাকে দেশের বিভিন্ন কারাগারে দীর্ঘদিন বন্দি থাকতে হয়। আজ (বৃহস্পতিবার) রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।

 

আদালত সূত্র জানায়, গত এপ্রিলে এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

 

২০০৪ সালের ২১ জুন দিরাই বাজারে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। গ্রেনেড বিস্ফোরণে নৌকার মাঝি ও যুবলীগকর্মী আব্দুল ওয়াহিদ (৪৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ওই ঘটনায় ২৯ জন আহত হন। হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ওই ঘটনায় দিরাই থানার তৎকালীন এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

 

এরপর ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর এ মামলার সম্পূরক চার্জশিটে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, তৎকালীন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জিকে গউছসহ ১০ জনকে আসামি করে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার চলাকালে এক আসামি মারা যান।

আপনার মন্তব্য

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted

অনুসরন করুন

সর্বশেষ খবর

আর্কাইভ

  • Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031