দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও চোরাচালান রোধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় সতর্ক থেকে অতিরিক্ত মজুত ও অযৌক্তিকভাবে দাম বৃদ্ধির সুযোগ রোধ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
শনিবার বিকেলে সংসদ ভবনে সরকার দলীয় সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও সরকার দেশীয় বাজারে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। সরকার মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে দাম স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু কিছু অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি ও সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিরুনি অভিযানসহ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
চিফ হুইপ জানান, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ধরনের ঘাটতি নেই। ইতোমধ্যে ২ লাখ মেট্রিক টন তেলবাহী জাহাজ বন্দরে পৌঁছেছে, আরও ২ লাখ মেট্রিক টন আসার পথে রয়েছে। তিনি আরও জানান, রোববার সংসদ অধিবেশনে জ্বালানিমন্ত্রী ৩০০ বিধির আওতায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন। পাশাপাশি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন, সংরক্ষিত নারী আসন এবং অন্যান্য বিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন ৩০ মার্চের মধ্যে উপস্থাপনের জন্য কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, সংসদীয় কার্যক্রমে নতুন উদ্যোগ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের নিয়মিতভাবে সংসদ সদস্যদের কাছে তথ্য উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তারা এলাকাভিত্তিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন। প্রতি মাসেই এ ধরনের ব্রিফিং আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান।
বৈঠকের শুরুতে স্পিকারের সহধর্মিণীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বাস ও ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ এবং তা প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়।











