ডেস্ক রিপোর্ট :
অবৈধ অভিবাসন ও বিদেশী
অপরাধীদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে অসহযোগিতার কারণে তিনটি আফ্রিকান দেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কঠোর হুমকি দিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এই “ট্রাম্প-স্টাইল” কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিতে চলেছেন, যা অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ। তবে, এই মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ নেই।
নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা দেশগুলো
হোম অফিসের সূত্র অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে যে তিনটি দেশকে এই কঠোর ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে, সেগুলো হলো:
১. আঙ্গোলা (Angola) ২. নামিবিয়া (Namibia) ৩. গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (Democratic Republic of Congo – DRC)
অভিযোগ, এই দেশগুলো সম্মিলিতভাবে যুক্তরাজ্যে থাকা ৪,০০০-এরও বেশি অবৈধ অভিবাসী ও বিদেশী অপরাধীকে ফিরিয়ে নিতে “অগ্রহণযোগ্যভাবে কম সহযোগিতা” করছে এবং “বাধা সৃষ্টি করছে”। তাদের প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় দ্রুত সহযোগিতা উন্নত করার জন্য এক মাসের সময় দেওয়া হয়েছে।
কঠোর শাস্তির ধাপভিত্তিক পরিকল্পনা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ তার “নৈতিক অভিযান” বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। তিনি সতর্ক করেছেন যে, অসহযোগিতা অব্যাহত থাকলে কঠোর শাস্তি আরোপ করা হবে, যার মধ্যে সম্পূর্ণ ভিসা নিষেধাজ্ঞাও থাকতে পারে। শাস্তির ধাপগুলি হবে:
প্রথম ধাপ: এই দেশগুলোর সরকারি কর্মকর্তা, ভিআইপি (VIP) এবং কূটনীতিকদের জন্য বিশেষ সুবিধাযুক্ত ভিসা অ্যাক্সেস (priority visa access) বাতিল করা হবে।
পরবর্তী ধাপ: সহযোগিতা না করলে, নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়িয়ে পর্যটক ও সাধারণ নাগরিকদের জন্যও ভিসা স্থগিতাদেশ আরোপ করা হতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক চিঠিতে দেশগুলোর দূতাবাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন এবং স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, “আপনার নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়া গ্রহণ করুন অথবা আমাদের দেশে প্রবেশের সুযোগ হারাবেন।”
বাংলাদেশের ছাড়পত্র পাওয়ার কারণ
অবিলম্বে ভিসা নিষেধাজ্ঞার হুমকির সম্মুখীন হওয়া দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত নয় এবং আপাতত সেই সম্ভাবনাও নেই।
এর প্রধান কারণ হলো:২০২৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশের তৎকালীন সরকার অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় সহযোগিতা জোরদার করতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে।যুক্তরাজ্যের হোম অফিস এই সম্পর্ককে প্রকাশ্যে ‘গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।এই চুক্তির ফলে ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থী, বিদেশী অপরাধী এবং ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করা ব্যক্তিদের অপসারণ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যে কোনো দেশ অসহযোগিতা করলে এই ভিসা নিষেধাজ্ঞার হাতিয়ার ব্যবহার করতে প্রস্তুত থাকলেও, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক বর্তমানে সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার ওপর নিবদ্ধ।

অপরাধীদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে অসহযোগিতার কারণে তিনটি আফ্রিকান দেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের কঠোর হুমকি দিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এই “ট্রাম্প-স্টাইল” কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিতে চলেছেন, যা অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলায় একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ। তবে, এই মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ নেই।










